নিঃসন্দেহে তারাই আল্লাহর মসজিদ আবাদ করবে যারা ঈমান এনেছে আল্লাহর প্রতি ও আখিরাতের প্রতি এবং যারা নামায প্রতিষ্ঠা করে ও যাকাত আদায় করে; আল্লাহ ব্যতীত আর কাউকে ভয় করে না। অতএব, আশা করা যায়, তারা সুপথপ্রাপ্তদের অন্তর্ভুক্ত হবে।” (সূরা তাওবা, ৯ : ১৮)
আল্লাহ ছাড়া কোন মাবুদকে বিশ্বাস না করা এবং মুহাম্মাদ (সাঃ) তাঁর নবী।
সলাত
(প্রার্থনা)
সালাত এর আভিধানিক অর্থ দোয়া, রহমত, ক্ষমা প্রার্থনা করা ইত্যাদি।
সাওম
(রোজা)
সুবহে সাদিক থেকে সূর্যাস্ত পর্যন্ত সকল প্রকার পানাহার,কামাচার, পাপাচার বিরত থাকা।
যাকাত
(দান)
প্রত্যেক স্বাধীন, পূর্ণবয়স্ক মুসলমান নর-নারীকে প্রতি বছর স্বীয় আয় ও সম্পত্তির একটি নির্দিষ্ট অংশ যাকাত বলা হয়।
হজ্জ
(যাত্রা)
হজ্জ হলো মুসলমানদের জন্য পবিত্রতম শহর সৌদি আরবের মক্কায় অনুষ্ঠিত একটি বার্ষিক ইসলামি যাত্রা।
কুরআন ও হাদিস থেকে
ইসলামিক উক্তি
দানশীলতার ব্যাপারে কোরআনের আরেকটি হিদায়াত হলো, দান-সদকা ও সহযোগিতা একমাত্র আল্লাহ তায়ালার রাজি খুশির নিমিত্তেই হওয়া। লোক-দেখানো, নিজের প্রভাব বিস্তার ও অন্য কোনো মতলবে না হওয়া। বরং মানবসেবার যে কাজই হোক না কেন তা হবে কেবল আল্লাহ তাআলার সন্তুষ্টি অর্জনের জন্য। এ মর্মে আল্লাহ তাআলা বলেন, ‘আর তোমাদের অর্থ ব্যয় কেবল আল্লাহর সন্তুষ্টির উদ্দেশ্যে হবে।’
(বাকারা, আয়াত : ২৭২)
নবী করিম (সা.) বিভিন্ন জায়গায় বিভিন্নভাবে দান-সদকার প্রতি উৎসাহিত করেছেন, রাসুলুল্লাহ (সা.) বলেন, খেজুরের একটি অংশ দান করে হলেও তোমরা জাহান্নামের আগুন থেকে বেঁচে থাকার চেষ্টা করো।
(বুখারি, হাদিস : ৬০২৩)
উসমান ইবনে আফফান (রাদি.) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, রাসুলুল্লাহ (সা) বলেছেন, ‘তোমাদের মধ্যে সর্বোত্তম সেই ব্যক্তি যে কুরআন শিক্ষা করে এবং শিক্ষা দেয়।’